আর কত খবরের কাগজ পড়া যায়। নদীতে লঞ্চডুবে, ভবন ধ্বসে, পেট্রোলে বোমার আগুনে পুড়ে মানুষ মারা যায়। গুম হয়ে যায় জলজ্যান্ত মানুষ; এনকাউন্টারে খুন হয়, “গণপিটুনী”-র গুলিবর্ষণে মানুষ মরে, পুলিসই অপহরণ করে মেরে ফেলে বাচ্চা ছেলেকে। ওদিকে পাহাড়ে শুনছি খুন-ধর্ষণ চলছে নিয়ম মতো। বইমেলায় লেখক কোপানো হয়, বাংলা একাডেমি অন্যায়ভাবে একটা প্রকাশনীকে বিতাড়িত করে বইমেলা থেকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে।
কিন্তু জনতা নির্বিকার। “সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে” চলে “পলিটিক্যালি কারেক্ট” কথাবার্তা। চিন্তা করার ক্ষমতা দুরে থাক, ইচ্ছাটা পর্যন্ত ফেসবুকের “থিঙ্কট্যাঙ্ক”-দের হাতে বন্ধক দেয়া হয়ে গেছে। যার যার গণ্ডীতে সব কুয়োর ব্যাঙেরা এখন সেলিব্রিটি। পছন্দমতো লাইক, কমেন্ট, শেয়ার। একদিকে সবাই আতঙ্কগ্রস্থ, উপরে উপরে সবকিছুই স্বাভাবিক, নির্বিঘ্ন। সেলফি, স্ট্যাটাসের যার যার ইগোরক্ষা চলতে থাকে। যার যার তালগাছ, তার তার কাছেই আছে। অন্যদিকে একটা বন তেলে-চুবে নষ্ট হয়ে যায়। একটা দূর্বল শিক্ষাব্যবস্থা ধীরে ধীরে পচেগলে যায়।
নেশাটা ভালোই। আফিম, হিরোইন, ফেন্সিডিল এর কাছে শিশু। কত সহজে সবচে জরুরী বিষয় থেকে মনোযোগ সরানো যাচ্ছে। ডোজ বাড়াও।
যে লেখা পড়ে এ ভাবনা: ভয়ের দিনে ভয়ের ব্যবস্থাপনা
Leave a Reply