[বাঁশী] আমার পরাণ যাহা চায়

একসময়, বছর দুই আগে, বৈঠকীতে যখন বাঁশি শিখতাম ওস্তাদের কাছে, তখন বংশী বিভাগের একমাত্র ছাত্র ছিলাম, বাকি সবাই বেহালার। তখন প্রায়ই সোমবার বিকেলে দাদার কাছে পাঠ নিয়ে সন্ধ্যায় টিএসসির মাঠে-বারান্দায় গোল হয়ে কখনো যুগলবন্দী হয়ে বা কখনো সমবেত ঐকতান তুলতাম বিভিন্ন বয়সের সহপাঠী আমরা, সে এক আনন্দের সময়। এখন সেই রামও নেই, সেই অযোধ্যাও নেই। তবে গত শুক্রবার বেহালাবাদক নাজিয়াপা, একই সাথে তীর্থ যাত্রা শুরু হয়েছিলো যার সাথে, তার ফোন পেয়ে আবার টিএসসির বারান্দায় দাদার সাথে, আরো সাথে সঞ্জীবদা আর রাজু, পুরনো দিনের মতো আবারো পরপর বাজালাম একেকজন। খুব দামী সময় ছিলো গত শুক্রবার সন্ধেটা। এই গানটাও তো দাদার কাছেই শেখা, খুবই রোমান্টিক কথা ও সুর। যদিও একজন থিসিস-ছাত্রের সময়টা ‘রোমান্টিক’র ধারেকাছেও নেই, কিন্তু সময়ের ফাঁক খুঁজে রেকর্ড করে ফেললাম। তবলা নেই, আছে তাল-লয়ের অসংগতি। তবু যদি ভালো লাগে।

লিরিক

আমার পরাণ যাহা চায়
তুমি তাই তুমি তাই গো
তোমা ছাড়া আর এই জগতে
মোর কেহ নাই কিছু নাই গো।।

তুমি সুখ যদি নাহি পাও
যাও সুখেরও সন্ধানে যাও
আমি তোমারে পেয়েছি হৃদয় মাঝে
আর কিছু নাহি চাই গো।।

আমি তোমার বিরহে রহিব বিলীন
তোমাতে করিব বাস
দীর্ঘ দিবস দীর্ঘ রজনী
দীর্ঘ বরষ মাস।
যদি আর কারে ভালোবাসো
যদি আর নাহি ফিরে আসো
তবে তুমি যাহা চাও তাই যেন পাও
আমি যত দুঃখ পাই গো।।


Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *